সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৬

Double Reinforcement Beam Design

মোমেন্ট থেকে কম হয় তাহলে ডাবলী হিসাবে ডিজাইন করতে হবে।

.
২য় ধাপ:
অতিরিক্ত মোমেন্ট বের করতে হবে-
অতিরিক্ত মোমেন্ট Mu1 = Mu - Mu2
এই অতিরিক্ত মোমেন্ট এর জন্য প্রয়োজনীয় স্টিল এরিয়া বের করতে হবে , As1 = As এবং ধরে নিতে হবে fs = fy, এইখান থেকে অতিরিক্ত স্টিল As' = Mu1 /Ø fy (d - d' )
.
৩য় ধাপ:
এইবার সমস্ত স্টিল বের করতে হবে , As = As' + As2
.
৪র্থ ধাপ:
চাপ বল এ স্টীল ইয়েল্ডিং হয় কি হয়না। এবং ঐ স্টীল এর একক বল উপর ভিত্তি করে বল এবং মোমেন্ট হিসাব করতে হবে। যদি স্টীল এর চাপ fy থেকে কম হয় তাহলে পুনরায় হিসাব করতে হবে
A's rev f 's= As trial fy
A's rev = As trial fy / fs'
টান রডের জন্য রিভাইজ / পুন:বিবেচনার দরকার নাই। কারণ টান এলাকাতে fy হিসাবে করা হয়।
.
৫ম ধাপ:
সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন রি-ইনফরসমেন্ট অনুপাত ঠিক রাখতে হবে।
.
৬ষ্ঠ ধাপ:
সঠিক বার বা রডের সাইজ নির্বচন করতে হবে।

এস.পি.টি ভেলু থেকে মাটির ভারবহন বা বিয়ারিং ক্যাপাসিটি বের করা

এস.পি.টি ভেলু থেকে মাটির ভারবহন বা বিয়ারিং ক্যাপাসিটি বের করা



এস.পি.টি বা স্ট্যান্ডার্ড পেনিট্রেশন টেষ্ট থেকে মাটির বিয়ারিং ক্যাপাসিটি নির্ণয় করা যায়। এর জন্য দুইজনের ফর্মুলা আছে
১) Meryerhof’s সুত্র:
ফুটিং এর চওড়া চার ফুট বা এর চেয়ে কম হলে
Qa = (N/4) *K
ফুটিং এর চওড়া চার ফুটের বেশি হলে
Qa = (N/6)[(B+1)/B]2*K
Bowles’ সুত্র:
চওড়া চার ফুটের কম হলে
Qa = (N/2.5) * K
ফুটিং এর চওড়া চার ফুটের বেশি হলে
Qa = (N/4)[(B+1)/B]2* K
Qa: এলাওয়াবল বিয়ারিং ক্যাপাসিটি (কিলো পাউন্ড / স্কয়ারফুট )[ kips/ft2]
N:
ফুটিং এর তলার এস.পি.টি সংখ্যা
B:
ফুটিং এর চওড়া (ফুট হিসাবে)
K = 1 + 0.33(D/B) ≤1.33
D:
মাটির উপরিভাগ থেকে ফুটিং এর তলার দুরত্ব বা গভীরতা (ফুট হিসাবে)
উদাহরণ-০১: এস.পি.টি নম্বর ১০, ফুটিং এর চওড়া তিন ফুট এবং ফুটিং এর তলা মাটির উপরিভাগ থেকে দুই ফুট নিচে আছে। তাহলে বিয়ারিং কত ?
উত্তর:
Meryerhof's
অনুসারে
K = 1+0.33(D/B) = 1+0.33*(2/3) = 1.22
Qa = (N/4) * K = (10 /4) *1.22 = 3.05 kips/ft2
Bowles’
অনুসারে:
Qa = (N/2.5) * K = (10 /2.5) *1.22 = 4.88 kips/ft2
এখান থেকে নিরাপত্তার স্বার্থে কমটা নেয়াই ভাল, সুতরাং ক্যাপাসিটি 3.05 kips/ft2
উদাহরণ-০১: এস.পি.টি নম্বর ২০, ফুটিং এর চওড়া আট ফুট এবং ফুটিং এর তলা মাটির উপরিভাগ থেকে চার ফুট নিচে আছে। তাহলে বিয়ারিং কত ?
Meryerhof's অনুসারে
K = 1+0.33(D/B) = 1+0.33*(4/8) = 1.17
Qa = (N/6)[(B+1)/B]^2 * K = (20/6)[(8+1)/8]^2 *1.17 = 4.94 kips/ft2
Bowles’
অনুসারে:
Qa = (N/4)[(B+1)/B]^2 * K = (20/4)[(8+1)/8]^2 *1.17 = 7.40 kips/ft
এখান থেকে নিরাপত্তার স্বার্থে কমটা নেয়াই ভাল, সুতরাং ক্যাপাসিটি 4.94 kips/ft2

জেনে নিন মিনিমাম পুরুত্ব (ডিফ্লেকশন হিসাব না করা হলে)

জেনে নিন মিনিমাম পুরুত্ব (ডিফ্লেকশন হিসাব না করা হলে)

ওয়ান ওয়ে স্ল্যাব
১. সিম্পলী সাপোর্ট =  স্প্যান / ২০
২. একদিকে কন্টিনিউয়াস =  স্প্যান / ২৪
৩. দুই দিকেই কন্টিনিউয়াস =  স্প্যান / ২৮
৩. ক্যান্টিলিভার =  স্প্যান / ১০

বীম
১. সিম্পলী সাপোর্ট =  স্প্যান / ১৬
২. একদিকে কন্টিনিউয়াস =  স্প্যান / ১৮.৫
৩. দুই দিকেই কন্টিনিউয়াস =  স্প্যান / ২১
৩. ক্যান্টিলিভার =  স্প্যান / ৮

উল্লেখ্য :
উপরের হিসাবে ধরা হয়েছে যে কংক্রিট সাধারণ ওজনের কংক্রিট ১৪৫ পাউন্ড/ঘণফুট এবং রিবার ৬০ গ্রেড
ক) যদি লাইট-কংক্রিট হয় ( ৯০-১১৫ পাউন্ড/ঘণফুট) তাহলে উপরের সুত্র থেকে প্রাপ্ত পুরুত্বকে (১.৬৫-০.০০৫ X কংক্রিট একক ওজন) দিয়ে গুণ করতে হবে।
তবে গুণ করার এই ফ্যাক্ট ১.০৯ এর নিচে হতে পারবে না। কংক্রিট এর একক ওজন ৯০ থেকে ১১৫ এর মধ্যে।
খ) যদি রিবার গ্রেড ৬০ থেকে অন্য হয় তাহলে (০.৪+ রিবার পি.এস.আই/১০০,০০০)

উদাহরণ:
বীমের স্প্যাণ ৩৭ ফুট, কংক্রিট এর একক ওজন ১১০ এবং একদিকে কন্টিনিউয়াস। রিবার ব্যবহার করা হযেছে ৮০ গ্রেড, বিমের পুরুত্ব বা থীকনেস কমপক্ষে কত ??
১. সাধারণ কংক্রিট ও ৬০ গ্রেডের জন্য উচ্চতা ৩৭X১২/১৮.৫ = ২৪ ইঞ্চ
ক) ফ্যাক্টর = ১.৬৫-০.০০৫ X ১১০ = ১.১
খ) ফ্যাক্টর = ০.৪+৮০,০০০/১০০,০০০ = ১.২
সুতরাং উচ্চতা হবে ২৪ X ১.১ X ১.২ = ৩৮.৬৮ ‍‍‍~ ৩৮.৫ ইঞ্চ

ওভারহেড ওয়াটার ট্যাংক ডিজাইন

ওভারহেড ওয়াটার ট্যাংক ডিজাইন

যক্তি প্রতি দিন = ১৫০ লিটার প্রতি পানি প্রয়োজন
পানযোগ্য পানি দিন প্রতি ব্যক্তির প্রয়োজন= ৪ লিটার
একক পারিবের জন্য পানির হিসাব
পরিবাবের গড় সদস্য সংখ্যা ৫ জন
প্রতিদিন পানি প্রয়োজন হবে নিম্নরুপ
১৫০ X ৫ = ৭৫০ লিটার
পান করার পানি প্রয়োজন:
৪ X ৫ = ২০ লিটার
মোট পানি প্রয়োজন = ৭৫০+২০= ৭৭০ লিটার
পানির আয়তন = ৭০০/১০০০ = ০.৭৭ কিউবিক মিটার
ট্যাংকের সাইজ নির্ধারণ
ধরি-------------
দৈর্ঘ্য = ১.২ মিটার
প্রস্থ = ০.৬ মিটার

ক্ষেত্রফল = ১.২ X ০.৬= ০.৭২ বর্গমিটার
গভীরতা = ০.৭৭ X ০.৭২= ১.০৭ মিটার

উপরের ফাকা অংশ ০.১ মিটার

মোট গভীরতা হবে ১.০৭+০.১=১.১৭ মিটার

পরিপুর্ণ সাইজ= ১.২ মিটার X ০.৬ মিটার X ১.১৭ মিটার

একটা বিল্ডিং ডিজাইনে যে পরিমাণ ফ্যাক্টর অফ সেফটি ধরা হয়, তাতে তা কলাপ্স করার সম্ভাবনাই থাকে না।

কিন্তু তারপরেও এতো বিল্ডিং কেন ধসে পড়ছে???? আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে এর একটা এনালাইসিস।
এবার আসুন দেখি ফ্যাক্টর অফ সেফটি গুলো কিভাবে আসছে—–
১) সয়েল টেস্ট রিপোর্টের মাটির বিয়ারিং কেপাসিটিতে ২-৩ পর্যন্ত ফ্যাক্টর অফ সেফটি ধরা থাকে।
২) লোড কম্বিনেশনে ডেড লোড আর লাইভ লোডে যথাক্রমে ১.২ ও ১.৬ ফ্যাক্টর অফ সেফটি ধরা থাকে।
৩) ঝড় তুফান আর ভূমিকম্পের সাথে সর্বোচ্চ লাইভ লোড পাবার সম্ভাবনাও খুবই কম, তাই লোড কম্বিনেশনেও একটা সুবিধা পাওয়া যায়।
৪) মোমেন্ট হিসাবেও একটা ফ্যাক্টর অফ সেফটি ধরা থাকে।
৫) ভালো ডিজাইনাররা ডিজাইনে ঢালাইয়ের স্ট্রেন্থ ২৫০০ পিএসআই ধরলেও বাস্তবে ৩০০০ পিএসআই কনক্রিট স্ট্রেন্থের সাজেস্ট করেন।
৬) অনেক ডিজাইনার আবার কলাম/বিম ডিজাইনে যা রড আসে তার চেয়ে একটা বা দুটা রড বেশি দেন।
তাহলে বলেন, বিল্ডিং কেন ধসে??????
এখন আসেন দেখি, পাবলিকের পইতালি কিভাবে একটা বিল্ডিং ডিজাইনকে দুর্বল করে——–
১)মালিকের পইতালি—
যদি ডিজাইনে পাইল দেন, তাহলে হুদাই ঘ্যানর ঘ্যানর করবে এই বলে, “ ভাই পাইলটা কি কুনো ভাবেই বাদ দেয়া যায় না???” আপনে যদি “না” করেন তাহলে জমির মালিক অতি জ্ঞানী হইলে আপনারে এভয়েড করে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার দিয়া থাম্ব রুলে পাইল বাদ দিয়ে বিল্ডিং বানাবে।
আপনে বিল্ডিং এর বিম/কলামে যে রড যে কয়টা দিতে বলবেন, সে পাশের বাড়ির কলামের রডের সাথে তুলনা করে তার চেয়ে কম রড দিবে। আর সাথে তো তত্ত্বাবধায়ক উপদেষ্টা মি সিভিল ইঞ্জিনিয়ার তো আছেই।
মালিক আর রাজমিস্ত্রির এহেন মাদবুরি উপরের বর্ণিত ১,২,৩,৪ আর ৬ নং ফ্যাক্টর অফ সেফটিকে দুর্বল করে ফেলবে।
সাধারণত সিমেন্টের গুনাগুণ সর্বোচ্চ দুই মাস পর্যন্ত মোটামোটি ভালো থাকতে পারে, যদি আপনে তা ভালো করে সংরক্ষণ করতে পারেন। কিন্তু অধিকাংশ সময়ে ডেম সিমেন্ট দিয়েই অনেকে ঢালাই করে। এটা ৫ নং ফ্যাক্টর অফ সেফটিকে দুর্বল করে ফেলবে।
২) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের পইতালি
এদের টলটলা ঢালাই মসলা না হলে মন ভরে না, তাই ঢালাইয়ের বন্ধু কাম শত্রু অতিরিক্ত পানি দিয়ে মসলা মিশাবে যা ৫ নং ফ্যাক্টর অফ সেফটিকে দুর্বল করে ফেলবে।
ডিজাইনারের অবর্তমানে অতি আগ্রহে জমির মালিকের টাকা সেইভ করার জন্য বিভিন্ন সময় রডের ডিজাইন চেঞ্জ করবে এবং সিমেন্ট কম দিবে। কিন্তু ঢালাইয়ের মালটা ভালো করে মিশাবে না কিংবা কাস্টিং করার সময় ভালো করে কম্পেক্ট করবে না। এতে করে ফ্যাক্টর অফ সেফটিগুলো আবার দুর্বল হবে।
আবার আপনে ডিজাইন করাবেন কমার্শিয়াল বিল্ডিং কিন্তু সেখানে ভাড়া দিবেন ফ্যাক্টরি, কিংবা ডিজাইনারকে বলবেন ৬ তালা করবেন কিন্তু বাস্তবে করবেন ৯ তালা, সেক্ষেত্রে আপনার অতি মুনাফা লোভ সবগুলা ফ্যাক্টর অফ সেফটিগুলো খেয়ে ফেলবে।
সুতরাং বুঝতেই পারতাছেন আপনাদের উস্তাদি প্রতি ধাপে ধাপে কিভাবে ফ্যাক্টর অফ সেফটিগুলো
খেয়ে ফেলে।
যার কাজ তাকে করতে দিন এবং দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে বিল্ডিং বানান।


এস্টিমেট সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী

1. এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন= ৪১০ টি।
2. এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন=১১.৭৬=১২ টি
3. এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ৫০০ টি।
4. এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ১৪.২৮ টি।
5. এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের ফ্লাট সোলিং এর জন্য ইটের প্রয়োজন=৩১ টি।
6. এক বর্গমিটার সোলিং এ চিকন বালির প্রয়োজন=০.০১৫ ঘনমিটার
7. এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের হেরিং বোন বন্ডের জন্য ইটের প্রয়োজন=৫২ টি।
8. এক বর্গমিটার হেরিং বোন বন্ডের জন্য চিকন বালির প্রয়োজন=০.০৩ ঘনমিটার
9. ইটের গাঁথুনীর কাজে শুকনা মসল্লা এর পরিমাণ=৩৫%
10. এক ঘনমিটার সিমেন্ট=৩০ ব্যাগ….
11. এক বর্গমিটার নীট সিমেন্ট ফিনিশিং এর জন্য(NCF) সিমেন্টের প্রয়োজন=২.৭-৩ কেজি
12. ডিপিসি এ পাডলোর পরিমাণ সিমেন্টের ওজনের ৫% অর্থাৎ প্রতি ব্যাগ সিমেন্টের জন্য ২.৫ কেজি।
13. এক ঘনমিটার এম,এস রডের ওজন =৭৮৫০ কেজি বা ৭৮.৫০ কুইন্টাল
14. এক ব্যাগ সিমেন্টের ওজন=৫০ কেজি এবং আয়তন=০.০৩৪৭ ঘনমিটার
15. এক ব্যাগ হোয়াইট সিমেন্টের ওজন=৪০ কেজি
16. আবাসিক দালানের জন্য বাসযোগ্য ক্ষেত্রফল প্লিন্থ ক্ষেত্রফলের ৫০%-৫৬% হওয়া উচিত।
17. ১ রানিং মিটার দৈর্ঘে এন্ড এজিং এ ইটের পরিমাণ=১/.১২৭=৮ টি।
18. আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি মিটার এম.এস.রড এর ওজন নির্ণয়ের সুত্র =d2/১৬২.২ কেজি।
19. এক ঘনমিটার ছোট সাইজের খোয়ার জন্য ইটের প্রয়োজন ৩২০ টি এবং বড় সাইজের খোয়ার জন্য ৩০০ টি।
20. আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি কেজি এম.এস.রড এর র্দৈঘ্য নির্ণয়ের সুত্র =১৬২.২/d2 মিটার
21. নির্মাণ সামগ্রী বহনের জন্য চালনা দুরুত্ব ৩০ মিটার এবং উত্তোলন দুরুত্ব ১.৫ মিটার।
22. কম্প্রেশন বারে হুক ছাড়া ল্যাপিং ২৪D এবং হুকসহ ৪৪D আবার, টেনশনে হুক ছাড়া ল্যাপিং ৩০D এবং হুকসহ ৬০D.
23. জলছাদের কাজে খোয়া,চুন,সুরকির অনুপাত=৭:২:২
24. সেপটিক ট্যাংক এর নুন্যতম প্রস্থ ৬০সেমি এবং তরলের নুন্যতম গভীরতা ১ মিটার।
25. সোক ওয়েলের নুন্যতম ব্যাস ৯০ সেমি এবং গভীরতা ইনভার্ট সমতল হতে ১.৫ মিটার।
26. কালভার্ট এর স্প্যান ৬ মিটারের কম এবং ব্রিজের স্প্যান ৬ মিটারের বেশি
27. ব্রিজ এর স্ল্যাবকে ডেকস স্ল্যাব বলে।
28. ঢেউটিনের প্রমাণ দৈর্ঘ্য: (১.৮০,২.২০,২.৫০,২.৮০,৩.২০)মিটার এবং প্রস্থ ০.৮০মিটার এবং ঢেউয়ের গভীরতা ১৮ মি.মি
29. এক মিটার এম.এস অ্যাঙ্গেলের ওজন=০.০০৭৮৫A কেজি
30. একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় সিমেন্ট বহন করে ২০ ব্যাগ
31. একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় ইট বহন করে 333 টি
32. একটি এক টনি ট্রাক কাঁচা রাস্তায় সিমেন্ট বহন করে ১৩.৩৩ ব্যাগ।

পাইলিং কি এবং কেন ?

#পাইলিং কি এবং কেন ?
================================
অনেক ক্ষেএেই বিল্ডিং করতে গেলে আমরা পাইলিং এর কাজ করতে দেখি
কিন্তু
→কি এই পাইলিং?
এবং
→কেনইবা এ পাইলিং ব্যবহার করা হয় ?
→ পাইলিং হল মূলত মাটির নীচে গভীর কলাম বা পাঠাতন, যা মূলত ম্যাট বা রেফট কিংবা কম্বাইন ফাউন্ডেশন এর তলের অথবা কলামের ভিওির বেস
হিসেবে ব্যবহার করা হয় যে সকল স্থানের মাটি সঠিক গঠনের নয় বিধায়
সাধারন ফাউন্ডেশন দুর্বল হবে, সে সকল স্থানে । চলুন দেখে নেই কেন এটি
ব্যবহার করা হয় :
→(ক) ভবনের লোড বহনকারী হিসেবে,
→(খ) মাটি যাতে ভবনের চাপে সরে বা ক্ষয় হয়ে না যায় সেজন্য
→(গ) ঘূর্ণন মোমেন্ট এবং তীর্যক বলকে প্রতিরোধ করতে,
→(ঘ) বালি মাটির ভার বহন ক্ষমতা
বৃদ্ধিতে,
→(ঙ) ভবনের লোড ঋণাত্বক স্কিন ঘর্ষণের মাধ্যমে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করাতে,
→(চ) ভবনের লোডকে নরম বা সংকোচনশীল পদার্থের মধ্য দিয়ে মাটির শক্ত স্তরে পৌঁছে দিতে,
→(ছ) ব্রীজ, কালবার্ট, ডক, পায়ার,
ট্রান্সমিশন টায়ার ও বিভিন্ন মেরিন
কাঠামো তৈরীতে ।
ভবন বা কাঠামো তৈরীর পূর্বে অবশ্যই
সয়েল টেষ্ট করিয়ে জেনে নিতে
হবে ভবনের ফাউন্ডেশনে পাইলিং
করার প্রয়োজন, না প্রয়োজন নেই ।

www.fb.com/useatmognama

রবিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৬

যেভাবে কংক্রিটের এস্টিমেট বের করবেন।

যেভাবে কংক্রিটের এস্টিমেট বের করবেন।


♥প্রথমে কংক্রিট কাজের আয়তন বের করতে হবে
ধরি,
       দৈঘ্য=৪০ ফুট
      প্রস্থ= ২০ ফুট
      থিকনেস=৫ ইঞ্চি
ভিজা আয়তন =(৪০*২০*৫/১২) বা ৩৩৩.৩৩ ঘনফুট
  [ইঞ্চি কে ফুটে কনর্ভাট করার জন্য ১২ দিয়ে ভাগ করতে হবে ]

♥এবার ভিজা আয়তন কে ১.৫৫ দিয়ে গুণ  করে ভিজা আয়তন বের করতে হবে।

শুষ্ক আয়তন =(৩৩৩.৩৩*১.৫৫) বা ৫১৬.৬৬ ঘনফুট

♥এখন কংক্রিট মিশ্রণের অনুপাতের যোগফল বের করতে হবে।

ধরি,
     অনুপাত =১:২:৪
     যোগফল=(১+২+৪)বা ৭

♠সর্বশেষে শুষ্ক আয়তনকে অনুপাতের যোগফল দিয়ে ভাগ করে ভাগফল কে নির্দিষ্ট আনুপাতিক সং খ্যা দিয়ে গুণ করে মালামাল এর পরিমাণ নির্ণয় করতে হবে।

সিমেন্ট =(৫১৬.৬৬÷৭)*১*.৮০= ৫৯.০৪ ~৬০ ব্যাগ
বালি = (৫১৬.৬৬÷৭)*২=১৪৭.৬২ সিএফটি
খোয়া=(৫১৬.৬৬÷৭)*৪=২৯৬.২৩ সিএফটি

শনিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৬

কোথায় কতটুকু কভারিং দিতে হবে

কোথায় কতটুকু কভারিং দিতে হবে

- আর.সি.সি ঢালাইয়ের ক্ষেত্র এেক কোথায় কি পরিমাণ # রড়ের কভারিং ব্যবহার করতে হবে আমরা অনেকেই তা জানি না । ফলে কাঠামোর সঠিক ঢালাই হয় না বিধায় কাঠামো দুর্বল হয় । এজন্য এ বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকা উচিত । নিচে কোথায় এবং কখন কতটুকু # কংক্রিট এর কভার দিতে হবে তাতুলে ধরা হল :
# কভারিং :
ক) কভারিং ৩ ইঞ্চি : সরাসরি মাটির স্পর্শে থাকলে,
খ) কভারিং ২ ইঞ্চি : ১৬ এবং ১৮ মিলি রড ব্যবহার করে মাটি বা আবহওয়ার সাথে সংযুক্ত হলে,
গ) কভারিং ১.৫ ইঞ্চি : ৫ মিলি রড ব্যবহার করে মাটি বা আবহওয়ার সাথে সংযুক্ত হলে,
ঘ) কভারিং ১.৫ ইঞ্চি (স্ল্যাব , ওয়াল বা জয়েনট) : ১৪ এবং ১৮ মিলি রড ব্যবহার করে মাটি বা আবহওয়ার সাথে সংযুক্ত না হলে,
ঙ) কভারিং ০.৭৫ ইঞ্চি (স্ল্যাব , ওয়াল ) : ১১ মিলি বা এর চেয়ে চিকন রড ব্যবহার করে মাটি বা আবহওয়ার সাথে সংযুক্ত না হলে,
চ) কভারিং ১.৫ ইঞ্চি (বীম এবং কলাম ) : মূল রড, টাই বা শিয়ার রড ব্যবহার করে মাটি বা আবহওয়ার সাথে সংযুক্ত না হলে,
ছ) কভারিং ০.৭৫ ইঞ্চি (শেল বা ভাজ করা কংক্রিট কাঠামো) : ৬ মিলি বা এর চেয়ে মোটা রড ব্যবহার করে মাটি বা আবহওয়ার সাথে সংযুক্ত না হলে,
জ) কভারিং ০.৫ ইঞ্চি (শেল বা ভাজ করা কংক্রিট কাঠামো) : ৫ মিলি বা এর চেয়ে চিকন রড ব্যবহার করে মাটি বা আবহওয়ার সাথে সংযুক্ত না হলে,
ঝ) কভারিং ১ ইঞ্চি (শক্ত আনুভুমিক কাঠামোর উপরের কোন কাঠামো এবং আবহাওয়ার সাথে সংলগ্ন, মাটির স্পর্শে নয় ) : ৮ মিলি বা তার চেয়ে ছোট রড ব্যবহার হলে,
ঞ) কভারিং ২ ইঞ্চি (শক্ত আনুভুমিক কাঠামোর উপরের কোন কাঠামো এবং আবহাওয়ার সাথে সংলগ্ন, মাটির স্পর্শে নয় ) : ৯ মিলি বা এর চেয়ে বড় রড ব্যবহার হলে ।

পেইন্ট ওয়ার্ক করার পদ্ধতি

পেইন্ট ওয়ার্ক করার পদ্ধতি

বিল্ডিং এর ফিনিশিং কাজের অংশ হিসাবে পেইন্টিং করা হয়। পেইন্টিং সর্তকতার সাথে না করলে কতগুলো সমস্যা দেখা দিতে পারে, যেমন: পেইন্ট ডাম্প হওয়া, ঝরে পড়া, রং করার পর উঁচু নিচু দেখা যাওয়া ইত্যাদি। এই সমস্যাগুলো এড়ানোর নিচের নিয়মগুলো ফলো করে পেইন্ট করতে হবে।

জায়গা প্রস্তুতি :
40 No. পাথর দিয়ে ঘষে প্লাস্টার সারফেস ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।

পেইন্ট করার নিয়ম: 
প্লাস্টিক পেইন্ট:


  • শুকনা ও পরিষ্কার জায়গার উপর রং করতে হবে।
  • ভিজা জায়গায় পেইন্ট করা যাবে না।
  • মিনিমাম ৪৫ দিন বয়সের ওয়ালের উপর পেইন্ট করতে হবে।
  • রং অব্যশই রুলার বা ব্রাশ দিয়ে করতে হবে।
  • প্রথমে ওয়াল বা সিলিং এ সিলার লাগাতে হবে।
  • তার উপর টাচ পুটি করতে হবে।
  • পেপার দিয়ে ঘষে প্রথমে পাতলা করে প্রথমে এক কোট রং করতে হবে।
  • একদিন পর তার উপর পুনরায় টাচ পুটি করে পুনরায় রং করতে হবে। এভাবে তিন কোট রং করতে হবে।
  • ফাইনাল কোট দেয়ার পূর্বে অবশ্যই লাইট দিয়ে সারফেস চেক করতে হবে।
  • সারফেস অসমান হলে পুটি করে সমান করতে হবে।
  • ফাইনাল কোট দেয়ার পর সারফেসের উপর দাগ বা গর্ত দেখা যাবে না।
Outside paint :

  • রং করার সিস্টেম প্রায় এক
  • সিলারের পরিবর্তে snowcem/ Durocem ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
  • রং ৩ কোট এর পরিবর্তে ২ কোট হয়ে থাকে।
  • পুটি করার প্রয়োজন পড়ে না।
Enamel paint:
  • Iron surface/ wooden surface এ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
  • প্রথমে primer লাগাতে হবে। primer হিসাবে Red- oxide মারতে হবে।
আজ এই পর্যন্ত।।। কেমন হলো জানাবেন....

ROOF THAT REALLY HOLD WATER