বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর, ২০১৬

রড, সিমেন্ট, বালি , ইটের হিসাব বুঝেন তো ?

রড, সিমেন্ট, বালি , ইটের হিসাব বুঝেন তো ?

যারা বাড়ী নির্মানের কথা ভাবছেন, রড, সিমেন্ট, বালি , ইটের হিসাব বুঝেন তো ?
গাথুনী এব প্লাস্টারে হিসাব
১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে।
০৫” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে।
গাথুনী এব প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়।
নিচের ছলিং এ প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে।পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়।
০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়।সিএফটি অর্থাৎ ঘনফুট।
এসএফটি অর্থাৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে।কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়।
ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।* ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ওজন ১৯২০ কেজি।
* ১ ব্যাগ সিমেন্টে পানি লাগে ২১ লিটার।
* ১০০ এস,এফ,টি প্লাষ্টারে ১:৪ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ।
* গাথুনীর প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়। সিলিং প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়।
* প্রতি এস,এফ,টি নিট ফিনিশিং করতে = ০.০২৩৫ কেজি সিমেন্ট লাগে।
* মসলা ছাড়া ১ টি ইটের মাপ = (৯ ১/২”*৪ ১/২”*২ ৩/৪”)
মসলাসহ = (১০”*৫”৩”)10 mm =1 cm
100 cm = 1 m (মিটার)Convert
1″ = 25.4 mm
1″ = 2.54 cm
39.37″ = 1 m
12″ = 1′ Fit
3′ = 1 Yard (গজ)
1 Yard = 36″
72 Fit = 1 bandil.
রডের পরিমান নির্ণয় করার পদ্ধতি
10 mm = 0.616 kg/m = 3 suta
12 mm = 0.888 kg/m = 4 suta
16 mm = 1.579 kg/m = 5 suta
20 mm = 2.466 kg/m = 6 suta
22 mm = 2.983 kg/m = 7 suta
25 mm = 3.854 kg/m = 8 suta
রডের ওজন
৮ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১২০ কেজি।
১০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১৮৮ কেজি।
১২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.২৭০৬ কেজি।
১৬ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৪৮১২ কেজি।
২০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৭৫১৮ কেজি।
২২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৯০৯৭ কেজি।
২৫ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন =১.১৭৪৭ কেজি।
উপরে যে কনভার্ট সিস্টেম দেয়া হয়েছে, এর প্রতিটি যদি আপনার জানা থাকে তাহলে বাস্তবে কাজ করা আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে।যেমন, ইঞ্জিনিয়ারিং সিস্টেমে রডের আন্তর্জাতিক হিসাব করা হয় kg/m এ।আবার বাংলাদেশে সাধারন লেবারদের সাথে কাজ করার সময় এই হিসাব জানা একান্তই জরুরী এছাড়া ও নিম্নোক্ত বিষয় টিও জেনে রাখুন . . . .
8 mm -7 feet -1 kg
10 mm -5 feet -1 kg
12 mm -3.75 feet – 1 kg
16 mm -2.15feet -1kg
20 mm -1.80feet -1kg
22mm -1.1feet -1kg
রডের মাপ ফিট মেপে kg বের করা হয় ………
এই সুত্রটি মনে রাখুন ( রডের ডায়া^2 / 531,36 ) যেকোনো ডায়া রডের এক ফিটের ওজন বাহির হবে . এখনে অবশ্যই রডের ডায়া মিলি মিটারে উল্লেখ করতে হবে।
খোয়ার হিসাব
* ১ টি ইটে = ০.১১ cft খোয়া হয়।
* ১০০ টি ইটে = ১১ cft খোয়া হয়।
* ১০০০ টি ইটে = ১১১.১১ cft খোয়া হয়।
বালির হিসাব
* ১০৯ ফিট = ১২.২৫cft,
* ১০০ sft ৫” গাথুনীতে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ।
* ১০০ sft ১০” গাথুনীতে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ৪ ব্যাগ। বালু লাগে ২৪ cft।
ঢ়ালাই এর হিসাব
* ১০০ cft ঢ়ালাই এ ১:২:৪ অনুপাতে সিমেন্ট ১৭ ব্যাগ, বালু ৪৩ cft, খোয়া ৮৬ cft লাগে।
* ১ cft ঢ়ালাই এ ১:২:৪ অনুপাতে সিমেন্ট ০.১৭, বালু ০.৪৩ cft, খোয়া ০.৮৬ cft লাগে।
==============================================
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রাথমিক হিসাব নিকাস জানুনঃ
1. এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন= ৪১০ টি।
2. এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন=১১.৭৬=১২ টি
3. এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ৫০০ টি।
4. এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ১৪.২৮ টি।
5. এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের ফ্লাট সোলিং এর জন্য ইটের প্রয়োজন=৩১ টি।
6. এক বর্গমিটার সোলিং এ চিকন বালির প্রয়োজন=০.০১৫ ঘনমিটার
7. এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের হেরিং বোন বন্ডের জন্য ইটের প্রয়োজন=৫২ টি।
8. এক বর্গমিটার হেরিং বোন বন্ডের জন্য চিকন বালির প্রয়োজন=০.০৩ ঘনমিটার
9. ইটের গাঁথুনীর কাজে শুকনা মসল্লা এর পরিমাণ=৩৫%
10. এক ঘনমিটার সিমেন্ট=৩০ ব্যাগ….
11. এক বর্গমিটার নীট সিমেন্ট ফিনিশিং এর জন্য(NCF) সিমেন্টের প্রয়োজন=২.৭-৩ কেজি
12. ডিপিসি এ পাডলোর পরিমাণ সিমেন্টের ওজনের ৫% অর্থাৎ প্রতি ব্যাগ সিমেন্টের জন্য ২.৫ কেজি।
13. এক ঘনমিটার এম,এস রডের ওজন =৭৮৫০ কেজি বা ৭৮.৫০ কুইন্টাল
14. এক ব্যাগ সিমেন্টের ওজন=৫০ কেজি এবং আয়তন=০.০৩৪৭ ঘনমিটার
15. এক ব্যাগ হোয়াইট সিমেন্টের ওজন=৪০ কেজি
16. আবাসিক দালানের জন্য বাসযোগ্য ক্ষেত্রফল প্লিন্থ ক্ষেত্রফলের ৫০%-৫৬% হওয়া উচিত।
17. ১ রানিং মিটার দৈর্ঘে এন্ড এজিং এ ইটের পরিমাণ=১/.১২৭=৮ টি।
18. আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি মিটার এম.এস.রড এর ওজন নির্ণয়ের সুত্র =d2/১৬২.২ কেজি।
19. এক ঘনমিটার ছোট সাইজের খোয়ার জন্য ইটের প্রয়োজন ৩২০ টি এবং বড় সাইজের খোয়ার জন্য ৩০০ টি।
20. আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি কেজি এম.এস.রড এর র্দৈঘ্য নির্ণয়ের সুত্র =১৬২.২/d2 মিটার
21. নির্মাণ সামগ্রী বহনের জন্য চালনা দুরুত্ব ৩০ মিটার এবং উত্তোলন দুরুত্ব ১.৫ মিটার।
22. কম্প্রেশন বারে হুক ছাড়া ল্যাপিং ২৪D এবং হুকসহ ৪৪D আবার, টেনশনে হুক ছাড়া ল্যাপিং ৩০D এবং হুকসহ ৬০D.
23. জলছাদের কাজে খোয়া,চুন,সুরকির অনুপাত=৭:২:২
24. সেপটিক ট্যাংক এর নুন্যতম প্রস্থ ৬০সেমি এবং তরলের নুন্যতম গভীরতা ১ মিটার।
25. সোক ওয়েলের নুন্যতম ব্যাস ৯০ সেমি এবং গভীরতা ইনভার্ট সমতল হতে ১.৫ মিটার।
26. কালভার্ট এর স্প্যান ৬ মিটারের কম এবং ব্রিজের স্প্যান ৬ মিটারের বেশি
27. ব্রিজ এর স্ল্যাবকে ডেকস স্ল্যাব বলে।
28. ঢেউটিনের প্রমাণ দৈর্ঘ্য: (১.৮০,২.২০,২.৫০,২.৮০,৩.২০)মিটার এবং প্রস্থ ০.৮০মিটার এবং ঢেউয়ের গভীরতা ১৮ মি.মি
29. এক মিটার এম.এস অ্যাঙ্গেলের ওজন=০.০০৭৮৫A কেজি
30. একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় সিমেন্ট বহন করে ২০ ব্যাগ
31. একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় ইট বহন করে 333 টি
32. একটি এক টনি ট্রাক কাঁচা রাস্তায় সিমেন্ট বহন করে ১৩.৩৩ ব্যাগ। POST BY TAUSIF

সোমবার, ২৭ জুন, ২০১৬

নির্মাণ করা যাবে এক কিলোমিটার উঁচু ভবন
বাংলাদেশি প্রকৌশলীর উদ্ভাবন
====================
বিশ্বে সুউচ্চ ভবন নির্মাণ পদ্ধতির উদ্ভাবক বা জনক বলা হয় ফজলুর রহমান খানকে (এফআর খান)। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত স্থাপত্যের এ কিংবদন্তি ১৯৬৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোয় কনসাল্টিং ফার্ম এসওএমে থাকাকালে এক নতুন স্ট্রাকচারাল পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। ভবন নির্মাণ কৌশলে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা ওই ব্যবস্থাকে বলা হয়, 'টিউব টু টিউব' পদ্ধতি। এখন পর্যন্ত বিশ্বের সর্বত্র সুউচ্চ ভবন (স্কাইক্র্যাপার) নির্মাণে অনুসৃত হয় তার এ পদ্ধতিটি। এবার এ পদ্ধতিকে আরও এক ধাপ ছাড়িয়ে গেলেন বাংলাদেশেরই আরেক প্রকৌশলী ফিরোজ আলম। তার উদ্ভাবিত পদ্ধতি সুউচ্চ ভবন নির্মাণে নতুন যুগের সূচনা ঘটাবে বলে আশা করা হচ্ছে। নির্মাণ করা সম্ভব হবে এক কিলোমিটার উচ্চতার ভবনও।
প্রকৌশলী ফিরোজের উদ্ভাবিত নতুন স্ট্রাকচারাল পদ্ধতির কৌশলটি হচ্ছে কলাম-বিমের পরিবর্তে 'প্যারালাল শিয়ার ওয়ালস কনসেপ্ট'। এই কৌশলে প্রায় এক কিলোমিটার উচ্চতার ভবন নির্মাণ করা সম্ভব হবে। একক গবেষণায় তার আবিষ্কৃত এই পদ্ধতিটি 'আমেরিকান জার্নাল অব সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং'-এ চলতি বছরের জুন সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে। এরই মধ্যে তার এ পদ্ধতি
ব্যাপক প্রশংসিতও হয়েছে। এতে প্রচলিত পদ্ধতির অনেক সীমাবদ্ধতা যেমন দূর হয়েছে, তেমনি ব্যয়ও হ্রাস পাবে।
ফিরোজ আলম গত সোমবার এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, বাংলাদেশে কম খরচে সাধারণ ভূমিকম্প প্রতিরোধী ভবন ও হাইরাইজ ভবন নির্মাণে সহযোগিতা দিতে চান তিনি। সম্প্রতি বাংলাদেশে শততলার ওপরে ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা হচ্ছে। সেখানেও তাকে কাজে লাগানো যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ফিরোজ। রংপুর সদরে জন্ম নেওয়া ফিরোজ আলম এখন কর্মসূত্রে সস্ত্রীক কাতারে রয়েছেন। সেখানে তিনি ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাতার সরকারের পাবলিক ওয়ার্কস অথরিটিতে কর্মরত। পরিবারের ছোট ছেলে ফিরোজ আলম ১৯৯১ সালে ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স (এএমআইই), বাংলাদেশ থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি সার্টিফিকেট নেন। চাকরি নিয়ে প্রথমে সৌদি আরব ও পরে ২০০৭ সালে কাতার যান ফিরোজ আলম। এর আগে মো?হাম্মদপুর বাংলা মিডিয়াম হাই স্কুল ও সরকারি তিতুমীর কলেজে লেখাপড়া করেন তিনি। তার এক ভাই প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা মাহাবুবুল আলম তারু। ফিরোজ আলমের একমাত্র ছেলে ঢাকায় ও-লেভেলে পড়াশোনা করছে।
২৫ তলার ওপরের ভবনকে হাইরাইজের কাতারে ফেলা হয়। বর্তমানে এমন ভবন নির্মাণে বাতাস আর ভূমিকম্পের প্রভাবকে প্রাধান্য দিয়ে ভবনকে মজবুত করার জন্য আরও অতিরিক্ত স্ট্রাকচারাল সিস্টেম যোগ করতে হয়। যেমন ব্রাসিংস, আউট্রিগারস, বেল্ট ট্রাস ইত্যাদি, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। কিন্তু ২০১৪ সালে ফিরোজ আলমের আবিষ্কৃত এই 'প্যারালাল শিয়ার ওয়ালস কনসেপ্ট'-এর স্ট্রাকচারাল পদ্ধতিতে এসবের প্রয়োজন নেই। তাছাড়া তিনি পূর্ববর্তী কাঠামোগত পদ্ধতির অনেক অসুবিধাও অতিক্রমে সক্ষম হয়েছেন।
নতুন ধারার এ নির্মাণ পদ্ধতি নিয়ে আলোচনার জন্য ফিরোজ আলমকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল শিকাগোর প্রসিদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব ইলিয়নস অ্যাট আরবানা-শ্যাম্পেইন। সেখানে তিনি গবেষণাপত্রটি উপস্থাপন ও ব্যাখ্যা করেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও 'কাউন্সিল অব টল বিল্ডিং অ্যান্ড আরবান হ্যাবিটেট (CTBUH)'-এর সম্পাদক অধ্যাপক মীর আলী প্রকৌশলী ফিরোজ আলমের আবিষ্কৃত নতুন স্ট্রাকচারাল পদ্ধতিকে গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করেন।
বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের 'বুর্জ আল খলিফা' বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবন, উচ্চতা ২৭১৯ ফুট। এর মধ্যে ১৯১৮ ফুট বা ১৫৪ তলা পর্যন্ত মানুষের বসবাসের উপযুক্ত। বাকি ৮০১ ফুটকে বলা হয় ভ্যানিটি হাইট। এই ভ্যানিটি হাইট বা উচ্চতাকে বাদ দিলে এটি ইউরোপের ১১তম উঁচু ভবন হিসেবে পরিগণিত হবে। এর চূড়ার দোলন ২০০০ মি.মি.। ফিরোজ আলম যে স্ট্রাকচারাল পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন, সেটি দিয়ে প্রায় এক কিলোমিটার লম্বা বা ৩২৮২ ফুট উঁচু ভবন নির্মাণ করা সম্ভব, যা প্রায় ২৭৮ তলার সমান। এটাতে কোনো ভ্যানিটি হাইট রাখা হয়নি। দোলন হবে অর্ধেক, প্রায় ১০৪১ মি.মি.।
ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স কাতার চ্যাপ্টারের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন আকন এ ব্যাপারে বলেন, 'ফিরোজ আলমের তত্ত্বমতে, প্যারালাল শিয়ার ওয়ালস কনসেপ্টের মাধ্যমে ১০০০ মিটার উঁচু ভবন তৈরি করা সম্ভব। তার সূত্রমতে, এ পদ্ধতিতে কলামের পরিবর্তে ২৭৮ তলা ভবন বানানো সম্ভব। যাতে কাঠামোগতভাবে নিরাপদ, ব্যবহার উপযোগী, অর্থনৈতিকভাবে সাশ্রয়ী, অধিক প্রাকৃতিক আলো পাওয়া সম্ভব। আনোয়ার হোসেনের মতে, স্কাইক্র্যাপারসের দোলন প্রায় অর্ধেকে নামিয়ে আনা সম্ভব হলে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হবে, যা বর্তমান বিশ্বে বিরাট চ্যালেঞ্জ। আনোয়ার হোসেন আরও বলেন, ফিরোজ আলম চাকরির ফাঁকে ফাঁকে নিজস্ব উদ্যোগে তার গবেষণা নিয়ে কাজ চালিয়ে যান। ২০১৪ সালে তার গবেষণা থেকে আমি জানতে পারি পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু ভবন বুর্জ আল খলিফা থেকে প্যারালাল শিয়ার ওয়ালস পদ্ধতিতে আরও ১৭২ মিটার উঁচু ভবন নির্মাণ সম্ভব।
নিজ পেশায় ২১ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে ফিরোজ আলমের। এর মধ্যে ১৪ বছর স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। তিনি কাতারের দোহায় কংক্রিট কলাম দিয়ে স্টিলবিম হাইরাইজ ভবনের নকশা করেছেন। সেটি হচ্ছে ১২৯৬ বর্গমিটারের ৫১ তলা স্টোরয়েড আবাসিক টাওয়ার। ভূমি থেকে এটি ১৯২ দশমিক ২ মিটার লম্বা। ফিরোজ আলম এ ব্যাপারে বলেন, '৫১ তলা একটি ভবনের মূল নকশা পুনর্বিবেচনার সময় আমি তাতে স্ট্রাকচারাল ডিজাইনে অনেক বড় ধরনের ত্রুটি পেয়েছিলাম। ক্লায়েন্টরা আমাকে পুনঃনকশা করার অনুরোধ করলে আমি একটা সঠিক ডিজাইন করে দিই।'
মুল রচনা: সমকাল পত্রিকা, কমেন্টে লিংক বিদ্যমান

শনিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৬

কংক্রিট মিক্স ডিজাইন-উদাহরণ (এ.সি.আই

কংক্রিট মিক্স ডিজাইন-উদাহরণ (এ.সি.আই)

কলামের জন্য কংক্রিট তৈরি করতে হবে। যার স্ট্রেন্থ হবে 4000  পি.এস.আই, এগ্রিগেটের সাইজ 20 মিমি ডাউন গ্রেড বা 3/4 ডাউন গ্রেড, এগ্রিগেটের ড্রাই রডেড ওজন 1600 কেজি/ঘনমিটার. বালির এফ.এম 2.8. সিমেন্ট টাইপ – সাধারণ পোর্টল্যান্ড সিমেন্টসমাধান: (এ. সি. আই অনুসারে)সাধারণ কাজের জন্য নন-এয়ার এনট্রেইনিং কংক্রিট ব্যবহার করতে হয়। আপেক্ষিক ঘনত্ব সিমেন্ট, কোর্স এগ্রিগেট ও ফাইন এগ্রিগেট এর যথাক্রমে 3.15, 2.68 এবং 2.64।
কনস্ট্রাকশনের ধরণ স্লাম্প
(mm) (inches)
Reinforced foundation walls and footings 25 – 75 1 – 3
Plain footings, caissons and substructure walls 25 – 75 1 – 3
Beams and reinforced walls 25 – 100 1 – 4
Building columns 25 – 100 1 – 4
Pavements and slabs 25 – 75 1 – 3
Mass concrete 25 – 50 1 – 2
উপরের টেবিল থেকে পাই স্ল্যাম্প হতে হবে 25-100 মিমি। আমরা ধরে নিলাম স্ল্যাম্প 90 করবো
  প্রতি ঘণমিটারে পানির প্রয়োজন
স্ল্যাম্প 9.5 mm
(0.375 in.)
12.5 mm
(0.5 in.)
19 mm
(0.75 in.)
25 mm
(1 in.)
37.5 mm
(1.5 in.)
50 mm
(2 in.)
75 mm
(3 in.)
100 mm
(4 in.)
বাতাস / বায়ু মুক্ত কংক্রিট
25 – 50 207 199 190 179 166 154 130 113
75 – 100 228 216 205 193 181 169 145 124
150 – 175 243 228 216 202 190 178 160
বাতাসের পরিমান (শতকরা) 3 2.5 2 1.5 1 0.5 0.3 0.2
এখানে আমাদের এগ্রিগেট সাইজ 19 মিমি, স্লাম্প 90 সুতরাং উপরের চার্ট থেকে প্রতি ঘনমিটারে পানি লাগবে 205 কেজি এবং বাতাস হবে 2 শতাংশ
28 দিনে স্ট্রেন্থ এম.পি.এ(পি.এস.আই) সিমেন্ট-পানি অনুপাত ওজন অনুসারে
নন-এয়ার এনট্রেইনড /  বাতাস মুক্ত
41.4 (6000) 0.41
34.5 (5000) 0.48
27.6 (4000) 0.57
20.7 (3000) 0.68
13.8 (2000) 0.82
সিমেন্ট-পানির অনুপাতের চার্ট (উপরের চার্টটি) থেকে আমরা পাই 0.57, সুতরাং প্রতি ঘনমিটারে সিমেন্ট লাগে 205/0.57=359.65 কেজি
বিভিন্ন ধরণের ফাইন এগ্রিগেটের এফ.এম ও কোর্স এগ্রিগেটের সাইজের উপর ভিত্ত করে প্রকি একক ঘনআয়তনে কোর্স এগ্রিগেটের পরিমান 
এগ্রিগেটের নমিনাল সর্বোচ্চ আকার  ফাইন এগ্রিগেটের এফ.এম
2.40 2.60 2.80 3.00
9.5 mm (0.375 inches) 0.50 0.48 0.46 0.44
12.5 mm (0.5 inches) 0.59 0.57 0.55 0.53
19 mm (0.75 inches) 0.66 0.64 0.62 0.60
25 mm (1 inches) 0.71 0.69 0.67 0.65
37.5 mm (1.5 inches) 0.75 0.73 0.71 0.69
 50 mm (2 inches) 0.78 0.76 0.74 0.72
উপরের চার্ট থেকে পাই প্রতিঘনমিটার এর কোর্সএগ্রিগেটের পরিমান হবে 0.62 ঘনমিটার। যেহুতে বলা আছে যে এগ্রিগেটের ওজন 1600 কেজি/ঘনমিটার, সুতরাং প্রয়োজনীয় এগ্রিগেটের ওজন 0.62 X 1600=992 কেজি। উপরের প্রাপ্ত তথ্যাদি থেকে আমরা পাই
সিরিয়াল মালামাল ওজন (কেজি) প্রতি ঘনমিটার এ আয়তন (ঘন সেমি) প্রতি ঘনমিটার এ ঘনফুট প্রতি ঘণমিটারে
1 সিমেন্ট 359.65 (359.65/3.15) X 10^3 =114.17X 10^3 4.03
2 পানি 205 205  X 10^3 7.24
3 পাথর 992 (992/2.68) X 10^3 =370 X 10^3 13.07
4 বাতাস 2% 20 X 10^3 0.71
বালি বা ফাইন এগ্রিগেট ছাড়া মোট আয়তন 709.17 X 10^3  25.04
সুতরাং বালির আয়তন (1000-709.17) X 10^3=290.83  X 10^3 10.27
উপরের তালিকাটি শুষ্ক কংক্রিট এর জন্য, কিন্ত ভেজা কংক্রিট বা জমাট বাধা কংক্রিট এর জন্য হিসাব করতে হবে 54 শতাংশ বেশি।
প্রতি ঘনমিটার কংক্রিটে সিমেন্ট লাগবে 4.03 X 1.54 = 6.21 ঘণফুট = 4.97 ব্যাগ
বালি লাগবে 10.27 X 1.54 ঘনফুট = 15.82 সি.এফ.টি
পাথর লাগবে 13.07 X 1.54 = 20.12 সি.এফ.টি

সাধারনত হাইরাইজ বিল্ডিং করতে গেলে পাইলিং করি

সাধারনত হাইরাইজ বিল্ডিং করতে গেলে পাইলিং করি ।

www.facebook.com/useatmognama



কিন্তু কেন করি এই পাইলিং ?? এ প্রশ্নের জবাবে অনেকেই বলবেন
বিল্ডিং মজবুত করার জন্য করি ।
ঠিক আছে মজবুত করার জন্য করেন ।
তবে এর কিছু সঠিক কারন বা উদ্দেশ্য রয়েছে ।
আসুন জেনে নিই , কি কি উদ্দেশ্যে পাইলিং করা হয় ।
১. বিল্ডিং এর লোড বহন করার জন্য ।
২. বিল্ডিং এর চাপে যাতে মাটি সরে না যায় এবং ক্ষয় না হয়ে যায় ।
৩. তীর্যক বল এবং ঘুর্ণন মোমেন্টকে প্রতিরোধ করে ।
৪. বিশেষ করে বালি মাটির ভার বহন করার ক্ষমতা বাড়ায় ।
৫. নরম মাটিতে ঋণাত্নক স্কিন ঘর্ষণের মাধ্যমে বিল্ডিং এর লোড
এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করে ।
৬. নরম বা সংকোচনশীল পদার্থের মধ্য দিয়ে
বিল্ডিং এর লোডটাকে মাটির শক্ত স্তরে পাঠিয়ে দেয় ।
৭. ডক, পায়ার, ট্রান্সমিশন টায়ার ও অন্যান্য মেরিন কাঠামো নির্মানের সময় ।
আপনার মাটির অবস্থা যদি ভালো হয়, তাহলে পাইলিং করে অযথা কেন লাখ লাখ টাকা খরচ করবেন ???
তাই বিল্ডিং করার আগে ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শ মত সয়েল টেস্ট করিয়ে
নিন । দেখবেন অযথা পাইলিং এর খরচ থেকে বেঁচে যাবেন ।
এই টেস্ট করতে তো আর আপনার লাখ টাকা লাগবেনা ।
যখন ইঞ্জিনিয়ার কে টাকা দিতে কৃপনতা করেন, তখন তারা পুষিয়ে নিতে
বাধ্য হয়ে মুখস্ত হিসাব মতে পাইলিং করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন ।

 

এস্টিমেট সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী

এস্টিমেট সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী

1. এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন= ৪১০ টি।
2. এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন=১১.৭৬=১২ টি
3. এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ৫০০ টি।
4. এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ১৪.২৮ টি।
5. এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের ফ্লাট সোলিং এর জন্য ইটের প্রয়োজন=৩১ টি।
6. এক বর্গমিটার সোলিং এ চিকন বালির প্রয়োজন=০.০১৫ ঘনমিটার
7. এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের হেরিং বোন বন্ডের জন্য ইটের প্রয়োজন=৫২ টি।
8. এক বর্গমিটার হেরিং বোন বন্ডের জন্য চিকন বালির প্রয়োজন=০.০৩ ঘনমিটার
9. ইটের গাঁথুনীর কাজে শুকনা মসল্লা এর পরিমাণ=৩৫%
10. এক ঘনমিটার সিমেন্ট=৩০ ব্যাগ….
11. এক বর্গমিটার নীট সিমেন্ট ফিনিশিং এর জন্য(NCF) সিমেন্টের প্রয়োজন=২.৭-৩ কেজি
12. ডিপিসি এ পাডলোর পরিমাণ সিমেন্টের ওজনের ৫% অর্থাৎ প্রতি ব্যাগ সিমেন্টের জন্য ২.৫ কেজি।
13. এক ঘনমিটার এম,এস রডের ওজন =৭৮৫০ কেজি বা ৭৮.৫০ কুইন্টাল
14. এক ব্যাগ সিমেন্টের ওজন=৫০ কেজি এবং আয়তন=০.০৩৪৭ ঘনমিটার
15. এক ব্যাগ হোয়াইট সিমেন্টের ওজন=৪০ কেজি
16. আবাসিক দালানের জন্য বাসযোগ্য ক্ষেত্রফল প্লিন্থ ক্ষেত্রফলের ৫০%-৫৬% হওয়া উচিত।
17. ১ রানিং মিটার দৈর্ঘে এন্ড এজিং এ ইটের পরিমাণ=১/.১২৭=৮ টি।
18. আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি মিটার এম.এস.রড এর ওজন নির্ণয়ের সুত্র =d2/১৬২.২ কেজি।
19. এক ঘনমিটার ছোট সাইজের খোয়ার জন্য ইটের প্রয়োজন ৩২০ টি এবং বড় সাইজের খোয়ার জন্য ৩০০ টি।
20. আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি কেজি এম.এস.রড এর র্দৈঘ্য নির্ণয়ের সুত্র =১৬২.২/d2 মিটার
21. নির্মাণ সামগ্রী বহনের জন্য চালনা দুরুত্ব ৩০ মিটার এবং উত্তোলন দুরুত্ব ১.৫ মিটার।
22. কম্প্রেশন বারে হুক ছাড়া ল্যাপিং ২৪D এবং হুকসহ ৪৪D আবার, টেনশনে হুক ছাড়া ল্যাপিং ৩০D এবং হুকসহ ৬০D.
23. জলছাদের কাজে খোয়া,চুন,সুরকির অনুপাত=৭:২:২
24. সেপটিক ট্যাংক এর নুন্যতম প্রস্থ ৬০সেমি এবং তরলের নুন্যতম গভীরতা ১ মিটার।
25. সোক ওয়েলের নুন্যতম ব্যাস ৯০ সেমি এবং গভীরতা ইনভার্ট সমতল হতে ১.৫ মিটার।
26. কালভার্ট এর স্প্যান ৬ মিটারের কম এবং ব্রিজের স্প্যান ৬ মিটারের বেশি
27. ব্রিজ এর স্ল্যাবকে ডেকস স্ল্যাব বলে।
28. ঢেউটিনের প্রমাণ দৈর্ঘ্য: (১.৮০,২.২০,২.৫০,২.৮০,৩.২০)মিটার এবং প্রস্থ ০.৮০মিটার এবং ঢেউয়ের গভীরতা ১৮ মি.মি
29. এক মিটার এম.এস অ্যাঙ্গেলের ওজন=০.০০৭৮৫A কেজি
30. একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় সিমেন্ট বহন করে ২০ ব্যাগ
31. একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় ইট বহন করে 333 টি
32. একটি এক টনি ট্রাক কাঁচা রাস্তায় সিমেন্ট বহন করে ১৩.৩৩ ব্যাগ।

একটি ভবন তৈরির কাজের “কনস্ট্রাকশন সিকোয়েন্স”

একটি ভবন তৈরির কাজের “কনস্ট্রাকশন সিকোয়েন্স”

আমাদের সমাজ জীবনে সকল কাজ করতে হয় একটি নির্দীষ্ট ক্রম অনুসরন করে । ঠিক তেমনি একটি ভবন তৈরির ক্ষেএেও একটি নির্দীষ্ট ক্রম অনুসরন করতে হয় । যাকে প্রকৌশলীদের ভাষায় “কনস্ট্রাকশন সিকোয়েন্স” বলা হয় । “কনস্ট্রাকশন সিকোয়েন্স” কে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। একটি হলো “কাঠামোগত বা স্ট্রাকচারাল কাজ”, আর অপরটি হলো “সৌন্দর্য বর্ধণ বা ফিনিশিং কাজ” । একটি ভবনের কাজের “কনস্ট্রাকশন সিকোয়েন্স” নিন্মে তুলে ধরা হলো :
কাঠামোগত বা স্ট্রাকচারাল কাজঃ-
প্রথম ধাপ : সাইট মোবিলাইজেশন বা সাইটে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সন্নিবেশ করা।
দ্বিতীয় ধাপ : ভূমি জরিপ করে ভূগর্ভস্থ মাটি পরীক্ষা করা।
তৃতীয় ধাপ : আর্কিটেকচারাল, স্ট্রাকচারাল, প্লাম্বিং, ইলেকট্রিক্যাল এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ড্রয়িং তৈরি করা।
চতুর্থ ধাপ : ভবনের প্রয়োজনীয় সকল লে-আউট ও লেভেল দেয়া।
পঞ্চম ধাপ : প্রয়োজন হলে পাইলিং করা এবং মাটি কাটা।
ষষ্ঠ ধাপ : ভিওির তলদেশে ব্লাইন্ড বা লীন কংক্রীট ঢালাই ও ইটের সোলিং করা।
সপ্তম ধাপ : ভিওির ঢালাই দেওয়া।
অষ্টম ধাপ : কলামের রড বাঁধা এবং ঢালাই দেওয়া।
নবম ধাপ : বীম ও ছাদের রড বাঁধা এবং ঢালাই দেওয়া।
দশম ধাপ : মেঝেতে ইটের প্রয়োজনীয় লে-আউট দেয়া এবং গাঁথুনীর কাজ করা।
সৌন্দর্য বর্ধণ বা ফিনিশিং কাজঃ-
প্রথম ধাপ : দরজায় কাঠের চৌকাঠ লাগানো।
দ্বিতীয় ধাপ : সিড়িঁ, বারান্দা ও জানালার গ্রীল লাগানো।
তৃতীয় ধাপ : বাথরূম ও কিচেন সহ সকল ধরনের স্যানিটারী ও প্লাম্বিং এর পাইপ ফিটিং করা।
চতুর্থ ধাপ : ওয়ালের গ্রুপ লাইন কাঁটা ও বৈদ্যুতিক সুইচবোর্ডের দেওয়ালের ভিতরের অংশের কাজ শেষ করা।
পঞ্চম ধাপ : ভবনের ভিতরের অংশে প্লাষ্টার করা।
ষষ্ঠ ধাপ : ভবনের বাইরের অংশে প্লাষ্টার করা।
সপ্তম ধাপ : বাথরূমের ও কিচেনের বেসিন বা সিঙ্ক সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় স্ল্যাব ঢালাই ও কনসিল অংশ লাগানো।
অষ্টম ধাপ : দরজা, জানালা, বারান্দা ও অন্যান্য অংশের থাই-এ্যালুমিনিয়াম ও গ্লাস লাগানো।
নবম ধাপ : কিচেন ও বাথরূমের দেওয়ালের টাইলস্ লাগানো।
দশম ধাপ : সিলার ও পুটি সহ সিলিং এ রং এর ১ম কোট দেয়া।
একাদশ ধাপ : ভিতরের বা বাইরের মেঝেতে ও সিড়িঁতে বা লিফটের দেওয়ালের সকল টাইলস্ বা মার্বেল লাগানো ।
দ্বাদশ ধাপ : বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং করা।
এয়োদশ ধাপ : ভবনের বাইরের ও ভিতরের দেওয়ালে রং এর ১ম কোট দেয়া।
চতুর্দশ ধাপ : দরজার বা জানালার পাল্লা ফিটিং করা এবং কাঠের অন্যান্য কাজ সারা।
পঞ্চদশ ধাপ : বাথরূম ও কিচেনের সকল ফিটিংস লাগানো এবং ফিনিশিং করা।
ষষ্ঠোদশ ধাপ : বৈদ্যুতিক সুইচ, সকেট,হুক,সিলিং রোজ ও সার্কিট ব্রেকার লাগানো।
সপ্তোদশ ধাপ : টাইলস্ ও মার্বেলের পয়েন্টিং করা।
অষ্টাদশ ধাপ : ছাদের উপরের ফিনিশিং কাজ ও সুইমিং পুলের টাইলস লাগনো।
উনবিংশ ধাপ : পেটেন স্টোন করা বেজমেন্ট বা ছাদের উপর।
বিশতম ধাপ : কাঠের বার্নিশ বা পলিশ ও দেওয়ালের রং এর ফাইনাল কোট করা।
একুশ তম ধাপ : বৈদ্যুতিক সকল বাতি ও ফ্যান লাগানো।
বাইশতম ধাপ : সকল ধরনের ফার্নিচার সেট করা।

বুধবার, ৬ এপ্রিল, ২০১৬

কলাম পদসমূহ ডিজাইন কার্যপ্রণালী | ফাউন্ডেশন ডিজাইন



কলাম পদসমূহ ডিজাইন কার্যপ্রণালী | ফাউন্ডেশন ডিজাইন

এখানে কলাম পদবিক্ষেপ ডিজাইন করার একটি ধাপে ধাপে নির্দেশিকা হল:
কলাম পদবিক্ষেপ পরিকল্পনা এবং অনুচ্ছেদ
| ফাউন্ডেশন ডিজাইন

কলাম পদবিক্ষেপ পরিকল্পনা এবং অনুচ্ছেদ
| ফাউন্ডেশন ডিজাইন
ধাপ 1

পদবিক্ষেপ জন্য প্রয়োজনীয় ফোন

স্কয়ার = বি = (
W + + W1) / P0

কোথায়
, পো = মাটির নিরাপদ ভারবহন ক্ষমতা

পদবিক্ষেপ এর
W1 = স্ব ওজন

পদবিক্ষেপ এর
W = স্ব ওজন

আয়তক্ষেত্র জন্য = বি / ডি = বি / ডি

A = B এক্স ঘ

পদবিক্ষেপ উপর নিট উর্ধ্বগামী চাপ

কুই / পি = ওয়াট / এ
ধাপ ২

বাঁকানোর মুহুর্ত

সর্বাধিক নমনাঙ্ক জন্য ক্রিটিক্যাল অধ্যায় কলামের মুখের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়

একটি বর্গক্ষেত্র পদবিক্ষেপ জন্য
,

Mxx = Q এক্স বি / 8 (এল - ক) 2

Mxx = Q এক্স এল / 8 (বি - খ) 2

Myy = Q এক্স বি / 8 (এল - ক) 2
ধাপ 3

পদবিক্ষেপ গভীরতা ঠিক করার জন্য নিম্নলিখিত বৃহত্তর হইবে:

নমনাঙ্ক বিবেচনা থেকে গভীরতা

D = √ (এম / ২ OB)

যেখানে
, q = প্রয়োজনীয় ফ্যাক্টর এর মুহূর্ত

শিয়ার বিবেচনা থেকে গভীরতা

এক উপায় শিয়ার জন্য পরীক্ষা

দুই পথ শিয়ার বা
punching শিয়ার জন্য পরীক্ষা

এক উপায় শিয়ার জন্য ক্রিটিক্যাল শিয়ার কলামের মুখ থেকে একটি দূরত্ব
'' এ বলে মনে করা হয়.

শিয়ার বল
, ভি = ২ OB [গণমাধ্যমে (বি - খ) ঘ]

নামমাত্র শিয়ার চাপ
, টিভি = ট. tc

Tc = 0.16√fck
ধাপ 4

দুই পথ শিয়ার জন্য পরীক্ষা

দুই পথ শিয়ার জন্য ক্রিটিক্যাল অধ্যায় কলামের সব মুখমন্ডল থেকে একটি দূরত্ব ঘ / 2 এ দূরত্বে হিসেবে গণ্য করা হয়.

SF, ভি = থ [B2 তে - (খ + D) 2]

SF, ভি = থ [এল এক্স বি - (ক + D) (খ + D)]

নামমাত্র শিয়ার চাপ
, টিভি = ভি / 2 ((একটি + D) (খ + D) ঘ) --- {একটি আয়তক্ষেত্র জন্য

টিভি = ভি / 4 ((খ +
D) ঘ) --- {জন্য একটি বর্গক্ষেত্র

টিভি = ট.
tc

ট = 0.5 + +
β> 1; [বিটা β = কলামের পক্ষের অনুপাত

Tc = 0.16√fck

ইস্পাত এলাকা
, Ast = এম / ((σ) stjd)

মঙ্গলবার, ২৯ মার্চ, ২০১৬

একটি কলামের কংক্রিট কত ভাগ লোড নেয়




Under: Structure একটি কলামের কংক্রিট কত ভাগ লোড নেয় এবং রিবার বা রড কত ভাগ লোড নেয়?? ধরে নেই একটি কলামের সাইজ Ag এবং ধরে নেই এখানে রডের পরিমাণ Ast= Ag*1.5% কংক্রিট এর স্ট্রেন্থ fc এবং স্টীল এর স্ট্রেন্থ fy এখন সুত্র অনুসারে কংক্রিট এর লোড এর পরিমাণ 0.85fc(Ag-Ast)=0.85fc(Ag-0.015*Ag)
 =0.85fc*0.985Ag
=0.84*fc *Ag এবং সুত্র অনুসারে রিবার বা রড লোড নেয় Ast*fy = 0.015*Ag* fy এখন যদি fc=3,000 psi এবং fy=60,000 psi হয়ে থাকে তাহলে রডের শতকরা ভাগ হবে
=(0.015*Ag*fy)/(0.84*fc*Ag +0.015Ag*fy) =(0.015*Ag*60)/(0.84*3*Ag +0.015*Ag*60) =(0.9*Ag)/(2.52*Ag+0.9*Ag)
=0.9/3.42
=0.26 =26% কংক্রিটের শতকরা ভাগ হবে 100%-26% =74% যদি fc=4,000 psi এবং fy=60,000 psi হয়ে থাকে তাহলে রডের শতকরা ভাগ হবে =(0.015*Ag*fy)/(0.84*fc*Ag +0.015Ag*fy) =(0.015*Ag*60)/(0.84*4*Ag +0.015*Ag*60) =(0.9*Ag)/(3.36*Ag+0.9*Ag)
 =0.9/4.26 =0.21
 =21% কংক্রিটের শতকরা ভাগ হবে 100%-21% =79% যদি fc=4,000 psi এবং fy=40,000 psi হয়ে থাকে তাহলে রডের শতকরা ভাগ হবে =(0.015*Ag*fy)/(0.84*fc*Ag +0.015Ag*fy) =(0.015*Ag*40)/(0.84*4*Ag +0.015*Ag*40 =(0.6*Ag)/(3.36*Ag+0.6*Ag)
=0.6/3.96 =0.15
 =15% কংক্রিটের শতকরা ভাগ হবে 100%-15% =85%

রবিবার, ২৭ মার্চ, ২০১৬

Unit weight

Unit weight of different materials used in construction works :

==========================

1.Plain concrete 2300 kg/m3
2.Reinforced concrete 2400 kg/m3
3.Lime concrete 1920 kg/m3
4.Cement concrete 2240 kg/m3
5.Cement 1440 kg/m3
6.Brick 1110 kg/m3
7.Brick ballast 1200 kg/m3
8.Stone ballast 1600 kg/m3
7.Brick Masonry 1920 kg/m3
8.Water 1000 kg/m3
9.Ms Rods 7850 kg/m3
10.Dry sand 1600 kg/m3
11.Surki 1250 kg/m3
12.Bitumen 1040 kg/m3

Construction equipments

নির্মাণ কাজে শ্রম,শক্তি ও সময়ের অপচয় লাঘবের জন্য বিভিন্ন ধরণের নির্মাণ যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়। নির্মাণ কাজের জন্য যে সকল যন্ত্রপাতি প্রয়োজন হয় তার একটি তালিকা নিচে দেয়া হলো... ¤মাটি খনন যন্ত্রপাতি: *স্ক্র্যাপার *পাওয়ার শোভেল *ড্রাগ লাইন *ক্লাম শেল *হো *ড্রেজার *স্কিমার ¤মাটি স্থানান্তর যন্ত্রপাতি : *বুল ডেজার *অ্যাঙ্গেল ডোজার *ড্রাগ লাইন ¤মাটি দৃঢকরণ যন্ত্রপাতি: *স্মুথ হুইল রোলার *শিপ ফুট রোলার *নিউমেটিক টায়ারড রোলার *ভাইব্রেটরি রোলার

Yield strength of steel

www.facebook.com/useatmognama
  • Yield strength of steel : fy=60000 psi (all structure) fy=40000 psi (use lintel, stirrups, boundary wall etc) *Lapping length : 1.Beam,Grade beam, slab (35D) 2.Column (30 D) *Casting : 1.Footing and column (1:1.5:3) 2.Beam and slab (1:2:4) *Crushing strength of concrete: 1.f'c=3000 psi ( for column & foundation) Others works 2500 psi is enough.